নিজস্ব প্রতিবেদন- আওয়ামীলীগ তাঁদের ত্যাগী নেতা পরীক্ষিত তোফায়েল আহমেদ আমির হুসেন আমু. আব্দুররাজ কে মূল্যায়ন না করে মূল্যায়ন করে হাইব্রিড নেতা হেইচ টি ইমাম, গহর রিজভী. ড. মসিউর রহমান, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী. ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী সহ অনেকেই. মূলত উনারই আওয়ামীলীগে জনপ্রিয় হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট হাসিনাতে রূপান্তরিত করেছিলেন. হাসিনার দুর্দিনের এক মাস আগে উনারা দেশ ছাড়েন.
শেখ হাসিনা হাইব্রিড নেতাদের উপর ভরসা রেখেছিলো তাঁর ফল কি হয়েছিল সেটা এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে. কিন্ত বড্ড দেরি হয়েছে , ইতিমধ্যে অনেক ত্যাগী আওয়ামীলীগ নেতা কর্মী রাজনীতি বিমুখ হয়ে গেছে, এতো বড় একটা সংঘটন একদিনেই ভ্যানিস হয়ে গেছে.
ইতিহাস থেকে আমরা কেউ শিক্ষা নেই না. মাঠে ময়দানে এখনো ত্যাগী পরিশ্রমী জানবাজ বিএনপি নেতা কর্মীরা উপেক্ষিত হচ্ছেন দেখে কষ্ট লাগে.
গত ১৫ বছর যারা দেশে থেকে জেল জুলুম হামলা মামলার শিকার হয়েছেন তাঁদের সরাসরি নেতা ছিলেন মির্জা ফখরুল.
মূলত মরহুম খন্দকার দিলোয়ার হুসেনের মৃত্যুর পর বিএনপি কে পরম মমতায় আগলে রাখেন মির্জা ফখরুল. মাসের পর মাস জেল খেঠে আজ পেয়েছেন মাজলুম উপাধি.
দলের তৃণমূলের একটাই দাবি মির্জা ফখরুল যেন রাষ্ট্রপতি হোন. এখানেও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন কিছু হাইব্রিড নেতা
যারা মনে করেন একজন অপেক্ষাকৃত তরুণ কেই হোন রাষ্ট্রপতি.
আমি দলের একজন মাঠ কর্মী হিসেবে প্রতিটি ত্যাগী নেতা কর্মীদের মূল্যায়ন চাই . সেটা রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে ইউনিয়ন লেভেলে.
কারণ দল বিপদে পড়লে এরাই বুক চেতে দাঁড়াবে কাজেই আমাদের এদের নার্সিং করতে হবে. এদের যথাযত মূল্যায়ন করলেই কেবল সংগঠন শক্তিশালী হবে নয়তো সামনের দিনগুলো হবে আরো কঠিন. আরো চ্যালেঞ্জইং.
আজ মাহ্দী আমিনের সমাবেশে বিশৃঙ্খলা জাস্ট একটা অ্যালার্ম!
এজে লিমন
নির্বাহী সদস্য
সেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় সংসদ